Rheumatoid Arthritis: রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস হচ্ছে না তো? প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে নিন

গুড হেলথ ডেস্ক

জয়েন্ট বা অস্থি সন্ধিস্থলের ব্যথারই (Rheumatoid Arthritis) রাশভারী নাম এটি। গ্রিক শব্দ ‘আর্থো’ অর্থাৎ জয়েন্ট বা সন্ধি এবং ‘আইটিস’ অর্থাৎ ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহ। এতে ব্যথার সঙ্গে জায়গাটা লাল হয়ে ফুলে যায়।আর্থ্রাইটিস কখনও একটি সন্ধিস্থলে, কখনও আবার একাধিক সন্ধিস্থলেও হয়। অনেক সময় ব্যথার জায়গাটা স্টিফ বা শক্ত হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা এ অসুখে ভোগেন, তাঁদের সন্ধিস্থল বেঁকে পর্যন্ত যেতে পারে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস মানে শুধু হাড়ে ব্যথাই নয়, আনুষঙ্গিক নানা শারীরিক সমস্যাও তৈরি হয়।

রিউমাটয়েড আর্থরাইটিস রোগীর প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এই রোগের জেরে হাড়ে প্রদাহ ও ব্যথা বাড়ে। হাত, কব্জি, পায়ে যন্ত্রণা হতে থাকে। রোগ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে হার্ট, ফুসফুস, রক্তনালী, ত্বক, চোখেও সমস্য়া হয়। তাই রোগ বাড়ার আগেই ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

Rheumatoid Arthritis

কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন (Rheumatoid Arthritis)?

অতিরিক্ত ক্লান্তি, গায়ে হাত-পায়ে সারাক্ষণ ব্য়থা হলে সতর্ক হতে হবে।

মাঝেমাঝেই বিনা কারণে জ্বর এলে, বা ভিতরে জ্বরজ্বর ভাব থাকলে সাবধান হওয়া ভাল।

হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়াও এই রোগের আর একটি লক্ষণ। মাঝেমাঝেই হাত-পা অসাড় হয়ে যাওয়া, জোর কমে যাওয়াও উপসর্গ হতে পারে।

 Rheumatoid Arthritis

রিউমাটয়েড আর্থরাইটিস (Rheumatoid Arthritis) মানেই যে প্রচণ্ড ব্যথা হব, এমন নয়। অনেক সময়েই এই অসুখ শুরু হয় কম ব্যথা দিয়েই। কিন্তু ক্লান্তি-ঝিমুনি সারাক্ষণ থাকে। হাত-পা ভারী ভারী ঠেকে।

এইসব উপসর্গের সঙ্গেই চোখ লাল হয়ে যাচ্ছে বারে বারে, তাহলে সতর্ক হতে হবে।

Headache: প্রচণ্ড মাথাব্যথা? হাতের কাছে ওষুধ, বাম নেই? ঘরোয়া উপায়েই কমবে মিনিটের মধ্যে

 rheumatoid arthritis

অকালে অস্টিওআর্থ্রাইটিস থেকে দূরে থাকতে প্রথমেই দরকার জীবনযাত্রার পরিবর্তন। অত্যাধিক আরাম আয়েশ, দৈহিক পরিশ্রমের অভাব এ রোগকে আরও আগে ডেকে আনে। আর্থ্রাইটিসের বংশগত ইতিহাস থাকলে আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। রোগ পুষে রাখবেন না বা পরে কী হবে ভেবে ফেলে রাখবেন না। শরীরে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ কম থাকলে আর্থ্রাইটিসের সম্ভাবনা বাড়ে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি-যুক্ত খাবার খান। শরীরের ওজন বেশি বাড়তে দেবেন না। নিয়মিত সময় অন্তর ওজন মাপান। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।