Child Care: এই গরমে সুস্থ থাক আপনার ছোট্ট সোনা, বাবা-মায়েরা কীভাবে যত্ন নেবেন

গুড হেলথ ডেস্ক

গরম পড়লেই হাজারটা সমস্যা। ভ্যাপসা গরমে বড়দের তো বটেই, ছোটদের কষ্ট হয় অনেক বেশি। ঠান্ডা ঘরে বেশিক্ষণ রাখলে সর্দি-কাশির সমস্যা হতে পারে, রোদে বেরোলেই সারা শরীর জুড়ে গামাচি, ফুসকুড়ি বা লালচে র‍্যাশ (Child Care)। এই গরমে ঘন ঘন পেট খারাপও হয় বাচ্চাদের। ঠান্ডা-গরম লেগে জ্বর তো আছেই। বাইরের তাপমাত্রা এমনিও বাড়ছে। আগামী কয়েকদিনে আরও গরম পড়বে। বাবা-মায়েরা জেনে নিন কীভাবে শিশুর যত্ন নেবেন।

Child care

শিশুর ত্বকের যত্ন

শিশুদের গরমকালে ঘামাচি, র‍্যাশ, ফুসকুড়ি বেশি হতে দেখা যায়। ঘাম জমে লাল লাল র‍্যাশ হয়ে যায় মুখে, পিঠে, গলায়। বাচ্চাদের এই সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঠান্ডার ধাত না থাকলে দিনে দু’বার স্নান করাতে পারেন। বা ভেজা কাপড় দিয়ে বাচ্চার মুখ, ঘাড়, গলা, পিঠ মুছে দিন। অনেক আরাম পাবে।

একদম ছোট বাচ্চা বা সদ্যোজাতদের ডায়াপারের ঘষা লেগে কচি ত্বক ছড়ে গিয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বার বার ন্যাপকিন বদলানোর ভয়ে নেকেই টানা ১২ – ১৩ ঘণ্টা ডায়াপার পরিয়ে রাখেন। শিশুর কোমল ত্বকের জন্য যা যথেষ্ট ক্ষতিকারক। বাচ্চা যেন ভিজে অবস্থায় শুয়ে না থাকে সেদিকে নজর দিতে হবে। ভেজা ডায়াপার যেন শিশুর গায়ে বেশিক্ষণ না থাকে। ডায়াপার নষ্ট হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা খুলে নতুন ডায়াপার পরিয়ে দিন।

Indian Baby Massage - Guide with Benefits, Tips & Precautions - Anu Chi Aai

অনেকে বাচ্চাকে অ্যান্টিসেপ্টিক লোশন দিয়ে স্নান করান। শিশুর শরীরে র‍্যাশ হলেও অ্যান্টিসেপ্টিক লাগিয়ে দেওয়া হয়। যে কোনও অ্যান্টিসেপ্টিক লোশন ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এর থেকে স্কিন র‍্যাশ হতে পারে।

চিকেন পক্স

এই সময়টায় বাচ্চাদের চিকেন পক্স হয়ে থাকে। সাধারণত ১-৫ বছরের শিশুদের বেশি হয়। তবে চিকেন পক্সের টিকা নেয়া থাকলে রোগের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। পক্স হলে হাল্কা সুতির পোশাক পরাতে হবে। তরল বা নরম জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে। বেশি করে জল খাওয়াবেন বাচ্চাকে।

 

পেট খারাপ

বাচ্চাদের একটু শরীর খারাপ হলেই মা-বাবা বিচলিত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে যদি পেট খারাপ হয়ে যায়। সিজন চেঞ্জের সময়ে বাতাসে ভাইরাস বেড়ে যায়, তখনও ভাইরাল ডায়রিয়া হতে পারে। আবার কোনও খাবার থেকে ইনফেকশন হলেও ডায়রিয়া হয়।

Child Care

এই সময় চিঁড়ে সিদ্ধ করে খাওয়ালে খুব তাড়াতাড়ি কাজে দেয়। বাচ্চা যদি সলিড খাবার খেতে না পারে, সে ক্ষেত্রে চিঁড়ে সিদ্ধ জলও নুন, চিনি দিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।

ডায়রিয়া হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। কারণ এই অসুখে যেহেতু শরীর থেকে অনেক পরিমাণে জল বেরিয়ে যায়, তাই ডিহাইড্রেশন শুরু হয়ে যেতে পারে।

অনেক বাচ্চাই ল্যাক্টোজ সহ্য করতে পারে না, ফলে তার থেকেও ডায়রিয়া হতে পারে। তাই ডায়রিয়া হলে সবচেয়ে আগে দুধ খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

বাচ্চাদের ফল, আনাজ খাওয়ানোর আগে বা রান্নার আগে ভাল করে ধুয়ে নেবেন। অন্তত মিনিট দশেক জলে ডুবিয়ে রেখে ঘষে ধুতে হবে।

ডাক্তার না দেখিয়ে বাড়িতে ওষুধ খাওয়াবেন না। আগে এক দিন ঘরোয়া উপায়ে বাচ্চাটিকে সুস্থ করা যায় কি না দেখে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।