বাচ্চার দাঁতে ব্যথা, ক্যাভিটি? কীভাবে যত্ন নেবেন

গুড হেলথ ডেস্ক

অতিরিক্ত মিষ্টি খেতে খেতে বাচ্চাদের দাঁতের নানা সমস্যা শুরু হয়। প্রাথমিক ভাবে এই সব সমস্যার প্রতি তেমন খেয়াল না করলেও পরে কিন্তু এগুলিই জাঁকিয়ে বসে (Child Dental Care)। ছোট বাচ্চাদের দেদার চকোলেট, ক্যান্ডি কিনে দেন বাবামায়েরা। সেগুলিই দাঁতের জন্য বিষ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে বাচ্চার দুধের দাঁত পড়ে গিয়ে যখন নতুন দাঁত ওঠে তখন মাড়িতে চিনচিনে ব্যথা হয়। সেই বাচ্চা যদি আগে থেকেই চটোকেল বা অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে অভ্যস্ত হয়, তাহলে এই সময় দাঁতে ক্যাভিটি, মাড়ির গোড়ায় গর্ত হতে পারে। ছোট থেকেই নানা সমস্যা শুরু হয়ে যাবে দাঁতে।

সাধারণত ছয় থেকে নয় মাসের মধ্যে শিশুদের দুধের দাঁত গজিয়ে যায়। তাই বাচ্চার দাঁতের যত্ন নিতে হবে একেবারে গোড়া থেকেই। তবেই মোকাবিলা করা যাবে ক্যাভিটি, দন্তক্ষয়ের। দুধের দাঁত থেকেই যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কারণ দাঁত ঠিক মতো গড়ে না উঠলে দেখতে খারাপ লাগা, খাবার চিবোনো কিংবা দাঁতের গড়নের সমস্যা তো হয়ই। স্পিচ অর্থাৎ কথা বলাতেও সমস্যা তৈরি হয়।

Kids Dental Care

বাচ্চার দাঁতের কীভাবে যত্ন নেবেন বাবা-মায়েরা?

বাড়ির সাধারণ খাবার খাওয়ালে, তারা সেই খাবারেই অভ্যস্ত হয়। বেবি ফুড কেনার সময়ে প্রথমেই দেখে নিন তাতে অতিরিক্ত চিনি আছে কি না (Child Dental Care)।

অতিরিক্ত ক্য়ান্ডি, চটচটো আঠালো মিষ্টি জিনিস, চুইং গাম, আইসক্রিম বাচ্চাদের বেশি খাওয়াবেন না।

বাজারচলতি প্যাকেটজাত ফ্রুট জুস না খাইয়ে, ফল কিনে এনে তার রস খাওয়াতে পারেন।  প্যাকেটজাত ফ্রুট জুসে অতিরিক্ত চিনি থাকে।

ছোট শিশুর ক্ষেত্রে (Child Dental Care) ফিডিংয়ের পরেই পরিষ্কার ও নরম কাপড় দিয়ে আলতো হােত দাঁত পরিষ্কার করা জরুরি।

ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাচ্চাকে ফ্লুরাইড টুথপেস্ট দিতে পারেন, এতে দাঁত ভাল থাকবে।

Care for caries

বাচ্চার নিজের বুড়ো আঙুল মুখে ঢুকিয়ে সাক করার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকত্ব নেই। তবে যদি চার বছর বয়সের পরেও এই অভ্যেস না যায়, তা হলে পদক্ষেপ করতে হবে। এতে যেমন আঙুল শক্ত হয়ে যায়, তেমনই দাঁতের গঠন ঠিক হয় না।

বাচ্চাকে নিয়ম করে দু’বার ব্রাশ করানোর অভ্যাস করান (Child Dental Care)। প্রতিবার খাওয়ার পরে ভাল করে মুখ ধুইয়ে দেবেন। মুখে জল নিয়ে ভাল করে কুলকুচি করানো শেখান।

জল খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে। এতে দাঁতের এনামেল ভাল থাকে।

সন্তানকে ভাল করে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যেস করান ছোট থেকেই।

দাঁতের সেটিং এলোমেলো বা উঁচু-নিচু হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেটিং, ব্রেস করাতে পারেন।