চশমা পরেন? তাহলে যে নিয়মগুলো অতি অবশ্যই মানতে হবে

গুড হেলথ ডেস্ক

যাঁদের চোখে পাওয়ার আছে, তাঁরাই একমাত্র জানেন যে চশমা (Glasses) ছাড়া জীবন কতটা কঠিন ও জটিল হতে পারে। অনেকে তো সারাক্ষণ ভারী চশমা পরে থাকার চেয়ে লেন্স পরাটা বেশি সহজ বলে মনে করেন। তবে লেন্স পরলে তারও যত্ন নিতে হবে সঠিকভাবে। তাছাড়া লেন্স একটানা সাত-আট ঘণ্টার বেশি পরে থাকা উচিত নয়। তাই চশমাটাই সাবধানে ব্যবহার করুন এবং মেনে চলুন কয়েকটি সহজ নিয়ম।

glasses

চোখ ও চশমা (Glasses) দুইই ঠিক রাখতে এই নিয়মগুলো মানেন

চশমা সব সময় খাপের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। ঘুম থেকে ওঠার পর বা ব্যাগের মধ্যে কোথায় চশমার বাক্স রেখেছেন তা খুঁজে বের করতে অসুবিধে হয়? একটা ফ্লুুরোসেন্ট মার্কার বা টেপের টুকরো লাগিয়ে রাখুন বাক্সের উপর। অন্ধকারের মধ্যেও তা জ্বলজ্বল করবে ও আপনার চোখে পড়বে।

চশমা (Glasses) বাছতে বসে সাবধানী হোন। চশমাও কিন্তু লুকেরই অংশ, তাই ঠিক কেমন লাগছে তা নিশ্চিত হয়ে তবেই চশমা কিনুন। রোজ ব্যবহারের চশমা যেন শক্তপোক্ত হয়। অনেকেরই শুধু রিডিং গ্লাসেই কাজ চলে যায়। তেমন হলে চিকিৎসকের সঙ্গে ভাল করে পরামর্শ করে নিন।

ঘামাচি সারবে কীভাবে? ভুলেও ট্যালকম পাউডার লাগাবেন না

 glasses

প্রতিদিন অন্তত একবার চশমা (Glasses) পরিষ্কার করতেই হবে – এছাড়া কোনও রাস্তা নেই! হালকা গরম জল ও নরম কোনও সাবান দিয়ে চশমা ধুয়ে নিন। জল ঝরে গেলে চশমা মোছার জন্য যে নরম কাপড়টি দেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে লেন্স মুছে নিন। কড়া সাবান বা রুক্ষ কাপড়ে চশমার কাচ তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যায়।

যাঁদের দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ, তাঁদের বাড়তি কয়েক সেট চশমা রাখা একান্ত আবশ্যক। অফিসের ব্যাগেও অবশ্যই স্পেয়ার চশমা রাখবেন। মাইনাস পাওয়ার হলে সবসময়েই চশমা পরে থাকুন।

যা যা করবেন না

চশমা (Glasses) খুলে যেখানে সেখানে ফেলে রাখবেন না। চশমা খাপে না রাখলে লেন্স নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

চশমা তুলে মাথার উপর রাখবেন না – তা যতই স্টাইলিশ দেখাক না কেন। এমন করলে চশমা আলগা হয়ে যাবে। আপনি যথাযথ ভিশন পাবেন না। তার পর চুলের তেল কাচের গায়ে জমে জমে চশমার কাচ ক্রমশ ঝাপসা হতে আরম্ভ করবে।

সানগ্লাসেও অবশ্যই পাওয়ার নিন। অনেকেই দৃষ্টিশক্তির খুব অসুবিধা না থাকলে সানগ্লাসে আলাদা করে পাওয়ার করান না। এমন হলে কিন্তু চোখেরই ক্ষতি।

চশমা না পরে কম আলোয় বই পড়বেন না। অনেক সময় চলন্ত গাড়িতে চশমা না পরে অনেকে বই বা কোনও কিছু পড়েন, এতে মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতে পারে।