সি-ফুড খেলেই পেটের সমস্যা! সংরক্ষণ ও রান্নার পদ্ধতিতেই লুকিয়ে বিপদ

গুড হেল্থ ডেস্ক: সি-ফুড (sea food) খেতে আমরাই অনেকেই পছন্দ করি। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, আমাদের শরীর সি-ফুড সহ্য করতে পারে না। পেট থেকে ত্বকে অস্বস্তি হতে শুরু করে সি-ফুড খেলেই। মারাত্মক অ্যালার্জিও হতে পারে অনেকের। এমনটা হলে সি-ফুড না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। তবে যাদের অ্যালার্জির সমস্যা নেই, তাদেরও অনেক সময় সি-ফুডে সমস্যা হয়। এই সমস্যার মূলে কিন্তু এর রক্ষণাবেক্ষণ ও রন্ধন প্রণালী দায়ী হতে পারে।

সি-ফুডের ধরন আর পাঁচটা খাবারের থেকে আলাদা। তাই এর সংরক্ষণও আলাদা। ঠিকমতো গাইডলাইন মেনে চললে সি-ফুড সাধারণত পেট বা ত্বকের সমস্যার কারণ হয় না। জেনে নিন কী সেই গাইডলাইন।

একই জায়গায় বারবার ইনসুলিন নেবেন না‌, জেনে নিন ইনসুলিন নিয়ে আরও কিছু কথা

  • ১. বাজার থেকে সামুদ্রিক মাছ কিনে আনার পর বেশিক্ষণ ফেলে রাখবেন না। বাড়ি এসেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মাছটিকে পরিষ্কার করে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন।

  • ২. যদি ফ্রোজেন সি-ফুড কেনেন , তা হলে খেয়াল রাখুন সেগুলো যেন ভাল করে প্রিজার্ভ করা হয়। ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচে প্রিজার্ভ করা সি-ফুড কিনুন। প্রিজার্ডভ সি-ফুড কেনার ক্ষেত্রে তার মোড়ক ভাল করে দেখে নিন। বাড়িতে এনে সেগুলিকে দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করুন।

  • ৩. বাজার থেকে কাঁচা সামুদ্রিক মাছ কেনার সময় ভালো ভাবে দেখে নিন। টাটকা মাছ হলে তবেই কিনুন। গন্ধেই অনেক সময় মাছ টাটকা কিনা বোঝা যায়। খেয়াল করুন।

  • ৪. অনেক সময়ই ফ্রিজে আমরা খাবার অগোছালো করে রাখি। রান্না করা খাবার-দাবারের পাশে কাঁচা সামুদ্রিক মাছ রাখলে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। তাই কখনই কাঁচা মাছ রান্না করা খাবারের কাছাকাছি রাখবেন না। এতে কাঁচা মাছ ও সংরক্ষিত খাবার দুইই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রোজই হচ্ছে হজমের গোলমাল? ক্যানসার নয় তো? কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন