থাইরয়েড থাকলে কি ফুলকপি, বাঁধাকপি খাওয়া যাবে? কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা

গুড হেলথ ডেস্ক

থাইরয়েডের (Hypothyroidism) সমস্যা কারও কাছেই বিশেষ অপরিচিত নয়। প্রতি বাড়িতেই কোনও না কোনও মানুষ থায়রয়েডের সমস্যায় ভোগেন। পুরুষদের চেয়েও মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এই অসুখ। এবং এক বার ধরলে সহজে সঙ্গও ছাড়ে না। বিশেষ করে যাঁদের ক্ষেত্রে অসুখ অনেকটা বেড়ে যাওয়ার পর ধরা পড়ে, তাঁদের সমস্যা আরও বেশি।  সন্তান ধারণের ক্ষেত্রেও বড় বাধা হয়ে দাঁডা়য় থাইরয়েড।

থাইরয়েড থাকলে খাওয়া দাওয়া, জীবনযাপন কড়া নিয়মে বেঁধে দেন চিকিৎসকরা। বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকোলি, ছোলা জাতীয় খবার থাইরয়েড বাড়ায়। এ ছাড়াও সর্ষে, মুলো, রাঙা আলু, চিনে বাদাম এড়িয়ে চলাই ভাল। থাইরয়েড বেড়ে গেলে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার যেমন পনির, চিজ ডায়েট থেকে বাদ দিলেই ভাল হয়।

cabbage

অনেকেই প্রশ্ন করেন হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism) থাকলে বাঁধাকপি (Cabbage), ফুলকপি (Cauliflower) খাওয়া যায় কিনা?  পুষ্টিবিদেরা বলছেন, বাঁধাকপি, ফুলকপি ইত্যাদি হল ক্রসিফেরস প্রজাতির সবজি। এর মধ্যে থাকে গয়ট্রোজেন (Goitrogen) নামক একটি উপাদান। এই উপাদান থাইরয়েড হরমোনের কাজে বাধা দেয়। বিশেষত, হাইপোথাইরয়েডের রোগীদের জন্য বাঁধাকপি, ফুলকপি মোটেই ভাল নয়।  তবে মাঝে মাঝে অবশ্যই খেতে পারেন। কিন্তু বেশি নয়, পরিমিত। রোজ রোজ না খাওয়াই ভাল।

Cauliflower Health Benefits

শীতের সব্জির মধ্য়ে এখন ফুলকপিতে বাজার ছেয়ে গেছে। ফুলকপির নানা পদ খেতে ইচ্ছে করতেই পারে। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, থাইরয়েডের রোগীরা সপ্তাহে একবার বা দু’বার খান ঠিক আছে, কিন্তু রোজ খেতে শুরু করলেই মুশকিল। তখন থাইরয়েড চড়চড় করে বেড়ে যাবে।

অনেকের থাইরয়েডর সঙ্গে ডায়াবেটিসের সমস্যাও থাকে। ক্ষেত্রে খেতে পারেন নানা সবজি, শাক। এছাড়া সম্পূর্ণ দানা শস্য যেমন আটা, ঢেঁকি ছাঁটা চাল, ডালিয়া, ওটস খাওয়া ভাল। কপার এবং আয়রন দুটোই থাইরডের মোকাবিলা করতে জরুরি। টাটকা মাংস, ওয়েস্টার, কাজু, গমের আটাতে প্রচুর পরিমাণে কপার রয়েছে। সবুজ শাকসবজি, বিন, আঁশওয়ালা মাছ, সামুদ্রিক মাছ, পোলট্রির ডিমে রয়েছে আয়রন। সেই সঙ্গেই ভিটামিন সি ব্যালান্স করতে খেতে পারেন লেবু, টমেটো, ক্যাপসিকাম।