ফ্রি বুস্টার ডোজ কোথায় গেলে পাবেন? কীভাবে নাম রেজিস্টার করাবেন

গুড হেলথ ডেস্ক

করোনার প্রিকশনারি ডোজ বা বুস্টার (Covid Booster Dose) ডোজ চালু হয়ে গেছে গোটা রাজ্যেই। কলকাতাতেও ১৫ তারিখ থেকে বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে, ফ্রি বুস্টার ডোজ নিতে বহু মানুষ নাম রেজিস্টার করাচ্ছেন। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বুস্টারের জন্য নাম লেখানো যেতে পারে। করোনার দুটো ডোজ যাঁদের নেওয়া হয়ে গেছে এবং বুস্টার নেওয়ার কথা ভাবছেন, তাঁরা জেনে নিন কোথায় কীভাবে বুস্টার পাবেন, কীভাবে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

কারা নিতে পারবেন প্রিকশনারি ডোজ? প্রিকশনারি ডোজ (Covid Booster Dose) ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে নেওয়া যাবে। প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা, কমবয়সী ও প্রবীণদের জন্য এই প্রিকশনারি ডোজ। করোনা রোগীদের সংস্পর্শে থাকতে হয় যাঁদের বা পেশাগত কারণে জনবহুল জায়গায় থাকতে হয়, প্রবীণ যাঁদের কোমর্বিডিটি আছে ও হাই-রিস্ক গ্রুপে আছেন,  তাঁরা পাবেন এই ডোজ। 

কোথায় গেলে পাওয়া যাবে? কলকাতায় পুরসভার উদ্যোগে বুস্টার ডোজের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে লগ ইন করুন KMC র পোর্টাল  https://www.kmcgov.in -এ। ফ্রি ডোজ পেতে গেলে সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থকেন্দ্র বা ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্রগুলোতেই স্লট বুক করতে হবে। নাম রেজিস্টার করাতে হবে কোউইন পোর্টালে।

নাম রেজিস্টারের জন্য–

সেকেন্ড ডোজ নেওয়ার চূড়ান্ত শংসাপত্র রাখতে হবে। কোউইন পোর্টালে গিয়ে সম্ভব হলে একই মোবাইল নম্বর ও আইডি দিন যা আগের দুটো ডোজের স্লট বুক করার সময় দিয়েছিলেন।

পোর্টালে নিজের ফোন নম্বর দিন, ওটিপি এলে তা দিয়ে লগইন করতে হবে।

আপনি বুস্টার ডোজের জন্য এলিজেবল হলে নোটিফিকেশন পাবেন। সেই লিঙ্কে ক্লিক করে পছন্দ মতো স্লট বুক করতে পারবেন।

চাকরি করেন যে মহিলারা তাঁরা রোজের ডায়েটে কী কী রাখবেন?

কোমর্বিডিটির সার্টিফিকেট লাগবে না? প্রিকশনারি ডোজ (Covid Booster Dose) নিতে হলে বয়স্কদের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল গাইডলাইনে। কী ধরনের রোগ রয়েছে বা রোগের চিকিৎসা চলছে তা দেখেই তৃতীয় ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে রোগের তালিকাও দিয়েছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। হার্ট, কিডনি, ফুসফুসের রোগ, ক্যানসারের মতো মারণ রোগও ছিল তালিকায়। তবে এখন নয়া নির্দেশিকায় বলা হচ্ছে, ষাটের বেশি বয়স্করা দুটি ডোজ নেওয়া হয়ে গেলে তৃতীয় ডোজ পাবেন। সেক্ষেত্রে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট দেখানোর দরকার নেই। তবে চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।