কানে কটকট, অসহ্য ব্যথা, আরাম পেতে পারেন ঘরোয়া উপায়ে

কানের ব্যথা (Ear Pain) বড় কষ্ট দেয়। অল্প ঠান্ডা লাগলে, শীতকালে, সামান্য বৃষ্টি হলে অথবা সর্দি-কাশিতে কফ জমলে কানে ব্যথা হবেই। ানে কটকট, ভোঁ ভোঁ–আর আপনার ভোগান্তির শেষ নেই।

আসলে কানে ব্যথা হয় সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে। পুরনো সর্দিকাশি থেকেও কানে ব্যথা হতে পারে। আবার স্নান করতে গিয়ে কানে জল ঢুকে গিয়েও টনটন করতে পারে। কানে ব্যথা কমাতে হলে আগে সংক্রমণ কমাতে হবে এবং তেমন তেমন সংক্রমণ হলে অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া উপায় নেই, তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে। তার আগে প্রচণ্ড যন্ত্রণা কমিয়ে একটু স্বস্তি পেতে মেনে দেখতে পারেন কিছু ঘরোয়া টোটকা।

কানে ব্যথা (Ear Pain) কমানোর ঘরোয়া উপায়

গরম সেঁক
কানে  (Ear Pain) গরম সেঁক নিলে প্রবল ব্যথাতে আরাম পাওয়া যায়। কান থেকে পুঁজ বেরোতে দেখলে গরম সেঁক নিন। তাতে কানের ভিতরে জমে থাকা পুঁজ বেরিয়ে যাবে, ব্যথার বোধও কম হবে। গরমজলে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। তারপর যে কানে ব্যথা, তার উপরে ভেজা কাপড়টা দিয়ে মিনিট দুই রাখুন। তারপর মাথা অন্যদিকে কাত করে পুঁজটা বেরিয়ে যেতে দিন।

Ear Pain

রসুনের তেল

অল্প অলিভ অয়েলে এক কোয়া রসুন অল্প থেঁতো করে গরম করুন। তেল গরম হলে ছেঁকে নিয়ে তা সংক্রমিত কানে দু’তিন ফোঁটা দিন। বারকয়েক এমন করলে একটু আরাম পাবেন।

আদার রস

আদা থেঁতো করে রস বের করে কানে ঢেলে দিন। ইনফেকশন কমবে। আরাম পাবেন। অথবা দুই টেবিল চামচ আদার অলিভ অয়েলের সঙ্গে এক চা চামচ আদার রস মিশিয়ে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট রাখুন। এই তেল কানে ঢালুন।

তুলসির রস

কয়েকটা তুলসি পাতা বেটে রস বের করে নিন। এই রস তিন থেকে চার ফোঁটা কানে ঢালুন। দিনে দু’বার করলেই ব্যথা অনেক কমে যাবে।

গরম ভাতে গন্ধরাজের স্বাদই আলাদা, সর্দি-কাশি থেকে ক্যানসার, মনের অসুখেও উপকারি এই লেবু

Ear Pain

নিমের রস
নিমপাতা ভাল করে ধুয়ে থেঁতো করে নিন। নিমপাতার এই রসটা কানে দিতে পারেন। অথবা নিমের তেলে তুলো ভিজিয়ে নিংড়ে কানে কয়েক মিনিট দিয়ে রাখুন। নিমে ব্যথা কমানোর (Ear Pain) গুণ রয়েছে যা কান ব্যথাতেও ফল দেয়।

পুদিনা পাতার রস

পুদিনা পাতার রস ড্রপারে করে নিয়ে কানে দিতে পারেন। অথবা পেপারমিন্ট অয়েল তুলোয় ভিজিয়ে কানের চারপাশে লাগান।