স্বাস্থ্যবতী মহিলাদের গলব্লাডারে স্টোন হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

প্রতিদিন আমাদের জীবনে এখন জাঙ্ক ফুডের অবারিত দ্বার। বাইরের ফাস্ট ফুডেই মজে এখনকার প্রজন্ম। তেল-চর্বি, ভাজাভুজি ইদানীং একটু যেন বেশিই খেয়ে ফেলছি আমরা। এদিকে আমাদের বিপাকে ফেলতে গলব্লাডারে স্টোন যে ওৎ পেতে বসে, সেদিকে নজর আর কোথায়?

গলস্টোন আসলে কী?
গলব্লাডার বা পিত্তকোষের মধ্যে বেড়ে ওঠা এক ধরনের শক্ত কণাই হল গলস্টোন। মূলত কোলেস্টেরল মেটাবলিজমের সমস্যা এবং ডায়েটে তেল বা চর্বির আধিক্যর কারণে বেশি হয়। পিত্ত গঠনের জন্য দায়ী উপাদানের ভারসাম্যের অভাব থেকেও গলব্লাডারে স্টোন হতে পারে।

Gall Stones

ঝুঁকিতে কারা?
যাঁরা নিয়মিত ফাস্ট ফুডকে সঙ্গী করেছেন, জীবনযাপন অনিয়ন্ত্রিত, তাঁদের এ রোগের ঝুঁকি বেশি।  বিশ্বব্যাপী সমীক্ষায় দেখা গেছে, গলস্টোন‌ সাধারণত পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের বেশি হয়। ওবেসিটি আছে যে মহিলাদের তাঁরাই বেশি গলস্টোনে বেশি আক্রান্ত হন।

গলস্টোন হলে বুঝব কী করে?
গলস্টোনের ধরণ অনুযায়ী উপসর্গ দেখা দেয়। তবে মূলত হজমের সমস্যা, কিছু খেলে পেটে অস্বস্তি, পাঁজরের ওপরের দিকে ব্যথা, গা বমি বমি ভাব এ সবই গলস্টোনের মূল লক্ষণ।

সাবধানতাই পথ!
গলব্লাডারে স্টোন হলে সার্জারি করে সেই স্টোন বের করা হয়। তাই ঝক্কি নেহাত কম নয়। অস্ত্রোপচার করেই এ রোগের নিষ্পত্তি হতে পারে। গলস্টোন থেকে বাঁচতে সাবধানতাই একমাত্র পথ। ঘরের তৈরি সুষম পুষ্টিকর খাবার খেলে পিত্তে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে। সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনযাপন যদি সুষ্ঠ, নিয়মমাফিক হয়, তবে গলস্টোনের ঝুঁকি প্রায় থাকে না বললেই চলে।