হাঁচির পর হাঁচি! থামবে কী করে?

গুড হেলথ ডেস্ক

হাসতে কে না ভালবাসেন! কিন্তু হাঁচতে (Sneezing) ভালবাসেন কে? বরং হঠাৎ হাঁচির পর হাঁচি হতে থাকলে বিড়ম্বনার অন্ত নেই। সে এক বিরাট ঝামেলা। এদিকে আবার বসন্ত পেরিয়ে গরম পড়তে শুরু করেছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে অল্পবিস্তর হাঁচি-কাশির সমস্যা খুবই সাধারণ। কিন্তু যাদের ধুলো-বালি থেকে অ্যালার্জির ধাত রয়েছে তাদের কাছে এই হাঁচি যেন অভিশাপের সমান। একবার শুরু হলে যেন থামতেই চায়না। রাস্তাঘাটে যখন তখন এমন হাঁচি খুবই অস্বস্তিকর।

হাঁচি (Sneezing) আসলে আমাদের শরীরের একটি রিফ্লেক্স অ্যাকশন। যখনই বাতাসের সঙ্গে মিশে থাকা পদার্থ যেমন- ময়লা, ফুলের পরাগ, বা ধূলা-বালির কনা নাকে প্রবেশ করে, তখনই আমাদের নাকের সংবেদনশীল আস্তরণে অস্বস্তি বা সুড়সুড়ি শুরু হয়। যার ফলে সেই ধুলোবালি কে নাক থেকে বার করতে প্রতিরক্ষা হিসেবে হাঁচি হয়।

Sneezing Home Remedie

আজকে আমরা ঘরোয়া পদ্ধতিতে হাঁচি রোধ করার বিভিন্ন সহজ উপায় সম্পর্কে জানব…

কী ভাবে হাঁচি (Sneezing) থামানো যেতে পারে?

১. মধু : আমরা অনেক সময়ই জ্বর সর্দি হলে মধু খেয়ে থাকি, মধুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ সেক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য করে। তবে অ্যালার্জির কারণে ক্রমাগত হাঁচি থামানোর ক্ষেত্রেও মধু খুবই কার্যকরী। প্রচণ্ড হাঁচির মধ্যেও এক চামচ মধু খেলে সঙ্গে সঙ্গে হাঁচি থেমে যায়।

২. আদা : হাঁচি কমাতে আদা খুব কার্যকরী। ক্রমাগত হাঁচির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একটু খানি আদা কুঁচি মুখে রাখুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই হাঁচি কমে যাবে।

Sneezing

৩. এলাচ : হাঁচি (Sneezing) থামাতে এলাচ চিবিয়ে খান। জলদি উপকার পাওয়া যায়। এলাচের কড়া গন্ধ এবং এলাচে থাকা এসেন্সিয়াল অয়েল মিউকাসের প্রবাহ রোধ করে এবং অস্বস্তি সৃষ্টিকারী উপাদান বের করে আনে। অ্যালার্জিজনিত হাঁচিতে তাই এলাচ বিশেষ কার্যকর।

৪. রসুন : রসুন আমাদের হাঁচি থামাতে ও বন্ধ নাক খুলে দিতে অত্যন্ত কার্যকর। হাঁচি রুখতে কাঁচা রসুন সরাসরি চিবিয়ে খেতে পারেন বা সামান্য ঘিয়ে ভেজে নিতে পারেন।

sneezing cold

৫. গরম জলের ভাপ: হাঁচি হতে থাকলে একটু ওয়াটার ভেপার নিন। হাঁচি কমবে, নিশ্বাস নিতেও সুবিধা হবে।