Dry Cough: বৃষ্টি পড়তেই খুকখুকে কাশি? বুকে সাঁই সাঁই শব্দ, আরাম মিলবে ঘরোয়া উপায়ে

গুড হেলথ ডেস্ক

এতদিনের ভ্যাপসা গরমের পরে নিম্নচাপের বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এক ধাক্কায় তাপমাত্রা নেমেছে। দিনের বেলায় কখনও রোদ, চাপা গরম আবার বিকেল হলেই ঝড়-বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমছে। আবহাওয়ার এই খামখেয়ালি বদলের কারণে ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি (Dry Cough), জ্বর হচ্ছে। খুকখুকে কাশি ভোগাচ্ছে অনেককেই। অ্য়ালার্জির ধাত থাকলে সর্দি বসে গিয়ে বুকে সাঁই সাঁই আওয়াজ হচ্ছে। নাক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেশে কেশে গলায় ব্যথা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্দি-কাশি কমাতে গাদা গাদা অ্য়ান্টিবায়োটিক খাওয়ার দরকার নেই। ঘন ঘন কাশি হতে থাকলে ঢকঢক করে কাফ সিরাপ না খেয়ে বরং ঘরোয়া টোটকা কাজে লাগান। ঘরোয়া উপায়েই সমাধান মেলে খুব তাড়াতাড়ি।

 Dry Cough

শুকনো কাশি ( Dry Cough) কেন হয়?

ব্রঙ্কাইটিস বা অ্যালার্জির কারণে এই ধরনের শুকনো কাশি হতে পারে। যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত থাকে তাঁদের বর্ষার মরসুমে সমস্যা হয় বেশি। তাপমাত্রা খানিক কমলেই ঠান্ডা গেলে গলা বসে যায়। অনেক সময় কোনও ঠান্ডা লাগা ছাড়াই কাশি শুরু হয়ে যেতে পারে। সংক্রমণের কারণে বা হাঁপানি থাকলে কাশি হয় বেশি।

Brain Tumour: ব্রেন টিউমার সারাতে আসছে নতুন ওষুধ, সার্জারি বা রেডিয়েশনের বিপদ কমবে

Cold and cough

জ্বর বা সর্দি কয়েকদিন পরে তাও কমে যায়, কিন্তু কাশি সহজে কমে না। কারও কারও কাশিতে প্রচণ্ড শ্লেষ্মা থাকে, আবার কারও শুকনো কাশি হয়। বাচ্চাদের কষ্ট হয় খুব বেশি। রাস্তাঘাটে বেরোলেই দমক দিয়ে কাশি আসে। বাসে-ট্রেনে লোকজনের ভিড়ে গলা শুকিয়ে কাশি শুরু হয়ে যায়। রাতে ঘুমোতে গেলে কষ্ট সবচেয়ে বেশি। সেই সময়েই কাশির তোড় শুরু হয়। শুকনো কাশিতে গলা চিড়ে যায়, যন্ত্রণা হয় বুকে। কাশির সমস্যা সবচেয়ে বেশি নাকাল করে। এমন সময়ে কী করণীয় তা বিস্তারিত বললেন বিশেষজ্ঞরা।

কী কী করলে আরাম পাবেন

কাশি (Dry Cough) হলেই লবঙ্গ বা আদার কুচি মুখে রাখুন। আদার ছোট ছোট টুকরো শুকিয়ে নুন দিয়ে রাখতে পারেন। মুখে দিলেই কাশি তখনকার মতো কমে যাবে।

কাশি কমাতে প্রতিদিন ১ চামচ মধু খান। মধুতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা সংক্রমণ কমায়।

কাঁচা আদা না খেতে পারলে, আদা দিয়ে চা বানিয়ে খান।

indian home remedies for dry cough

এক চা চামচ হলুদ, অল্প একটু গোলমরিচ ও মধুর একটি মিশ্রণ তৈরি করে রোজ সকালে খান।

চা তৈরির সময় তার সঙ্গে আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি ফুটিয়ে সিরাপ তৈরি করে নিতে পারেন, এটাও গরম গরম খেলে কাশি অনেক কমে যাবে।

রোজ এক গ্লাস করে হলুদ মেশানো দুধ খাওয়ার চেষ্টা করুন। সর্দি-কাশি তো বটেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াবে।

রসুনও কিন্তু সর্দি কাশির ক্ষেত্রে উপকারি। রোজ একটি বা দু’টি কোয়া রসুন খেলেও সর্দি-কাশিতে উপকার পাওয়া যায়।