Dry Throat: বার বার জল খেয়েও গলা শুকোচ্ছে? এদিকে সর্দি-হাঁচি কিচ্ছু নেই, সতর্ক হন

ঢকঢক করে জল খাওয়ার পরেও দেখছেন বারে বারে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে? মাঝরাতে ঘুম ভাঙলে গলা শুকিয়ে কাঠ। এদিকে জ্বর বা সর্দি-কাশি কিছু নেই। তাহলে আর দেরি না করে ডাক্তার দেখিয়ে নিন। অনেক জটিল অসুখের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে বারে বারে গলা শুকিয়ে যাওয়া বা ড্রাই থ্রোট (Dry Throat)। হতেই পারে কোনও শারীরিক সমস্য়া নীরবে বাসা বেঁধেছে শরীরে। সেটা ডালপালা মেলার আগেই সাবধান হতে হবে।

dry throat

কী কী কারণে ড্রাই থ্রোট (Dry Throat) হতে পারে?

শরীর খুব ক্লান্ত থাকলে, বিশ্রাম সঠিকভাবে না হলে, তখন এমন হতে পারে। মানসিক চাপ, অবসাদের ছাপ পড়ে শরীরে। তার থেকেও নানা রোগ হতে পারে। ড্রাই থ্রোট এগুলিরই প্রাইমারি স্টেজ হতে পারে।

ডায়াবেটিসের রোগীদের এমন সমস্য়া হয়ে থাকে। বারে বারে প্রস্রাবের কারণে শরীর থেকে অনেক জল বেরিয়ে যায়। নির্দিষ্ট মাত্রায় জল না খেলে তখন বারে বারে গলা শুকিয়ে যেতে পারে।

Dry Throat

ডিহাইড্রেশনও বড় সমস্যা। লালাগ্রন্থি তখন পর্যাপ্ত লালা তৈরি করতে পারে না যা মুখ ও গলাকে ভিজিয়ে রাখবে। ফলে মুকের ভেতর শুকিয়ে যেতে থাকে। গলা শুকিয়ে যায়, একই সঙ্গে ঝিমুনি-ক্লান্তিভাব চলে আসে।

অ্য়াসিড রিফ্লাক্স বা গার্ডও বড় কারণ। অম্ল-বুক জ্বালা থেকে গলা-মুখ শুকিয়ে যেতে পারে (Dry Throat)। গলার কাছে দলা পাকানো জ্বালাভাব থাকে। তার থেকে শুকনো কাশিও হয় অনেকের। যদি অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে তাহলে তা খাদ্যনালী হয়ে ওপরে উঠে আসে। তখন মনে হয় গলার কাছে কিছু একটা আটকে আছে। কিছু খেলেই অম্বল হয়ে যায়। বুকে ব্যথা শুরু হয়।

হে ফিভার হলে বা অ্য়ালার্জিক রাইনিটিস থাকলে তার থেকে ক্রমাগত হাঁচি, চোখ-নাকে চুলকানি হয়। শুকনো কাশি ভোগাতে পারে (Dry Throat)। ধুলো, ফুলের রেণু বা খাবার, যে কোনও কিছু থেকে অ্য়ালার্জির সংক্রমণ হতে পারে। তখন ড্রাই থ্রোটের সমস্যা দেখা দেয় অনেকের।

Dry Throat

ভাইরাল জ্বর থেকেও ড্রাই থ্রোট হতে পারে। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, সর্দি, নাক দিয়ে অনবরত জল পড়া, মাথাব্যথা, গা হাত-পায়ে ব্যথা শুরু হয় ভাইরাল ইনফেকসন হলে। আক্রান্ত হতে পারে ফুসফুসও। তখন বারে বারে গলা শুকিয়ে যেতে পারে।

গলায় একটানা ব্যথা, খাবার বা জল খেতে গেলেও সমস্যা হলে তাকে হেলাফেলা করা উচিত নয়। মনে হতেই পারে ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যথা হচ্ছে। কিন্তু অনেক সময়েই দেখা যায় গলার কাছের একটি মাংসল অঙ্গই এর ভোগান্তির মূলে আছে। যাকে টনসিল বলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টনসিলে পাথর জমলে শুরুতে বোঝা যায় না। অনেক সময় ছোট ছোট স্টোন তৈরি হয় টনসিলে যা বিশেষ ক্ষতি করে না। কিন্তু টনসিল যদি ফুলতে থাকে এবং পাথরের আকারও বড় হয় সমস্যা তৈরি হয় তখনই। টনসিল স্টোনের প্রাথমিক উপসর্গও হতে পারে ড্রাই থ্রোট। তাই কোনওভাবেই এড়িয়ে গেলে চলবে না।