পুজোয় সারাদিন ঘুরে মুখে ট্যান পড়েছে? ঘরোয়া উপায়েই আগের জেল্লা ফিরে পাবেন

গুড হেলথ ডেস্ক

রোদে বেরোলেই যে মুখ-হাত পুড়ে যাবে, এমন নয়। কিন্তু নিয়মিত রোদে বেরোতে হলে গায়ের রং, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য এবং কোমল ভাব (Skin Care) ধরে রাখা সহজও হয় না। এই পুজোতে সারাদিন ঘুরে বেরিয়ে ত্বকের জেল্লা অনেকটাই কমে গেছে। নামী দামি বিউটি পার্লারে গিয়ে বেশি খরচে আমরা ফেসিয়াল করাই ঠিকই, কিন্তু ঘরোয়া উপায়গুলো অনেক বেশি কার্যকরী ও স্বাস্থ্যসম্মত।

সামান্য হলেও যত্ন চায় ত্বক (Skin Care) । বেছে বেছে বাহারি ক্রিম কিনে, তা মাখাও এক এক সময়ে বেশ কষ্টসাধ্য মনে হতে পারে। কিন্তু দিনের পর দিন বিনা যত্নে ত্বকের মসৃণ ভাব উধাও হতে পারে। তাই ঘরের কিছু সাধারণ জিনিস দিয়েই নিজের রূপের দেখভাল করা যেতে পারে।

দই রূপচর্চার জন্য অন্যতম সেরা উপাদান। একটা ভুল ধারণা আছে, দই খেলে নাকি ঠান্ডা লাগে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দই সারা বছরই খাওয়া যায়। এর সঙ্গে ঠান্ডা লাগার কোনও সম্পর্ক নেই। আর ত্বকের জন্য দারুন ভাল টক দই। শীত আসছে, এই সময় ত্বক অনেক বেশি রুক্ষ হয়ে যায়। তাই এই সময় ত্বকের যত্ন নিতে দই ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ত্বকের প্রাণ ফেরাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করতে পারে টক দই। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

Skincare Tips

● বাইরে বেশিসময় কাটাতে হয় যাঁদের তাঁদের ত্বক প্রাকৃতিক আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে (Skin Care)। বিশেষজ্ঞদের মতে, দইয়ে থাকা ভাল ব্যাকটেরিয়া ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে।

● দইয়ের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ অ্যাকনে, ব্রণর সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

● শুষ্ক ত্বকে বলিরেখা খুব সহজে পড়ে। শীতে তাই ত্বকের বয়স আরও বেশি দেখায়। দই প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের বয়স ও বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।

● দইয়ে শুষ্ক, ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক প্রাণ ফিরে পায়। দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে প্রাণোচ্ছ্বল করে তোলে।

 face packs

● ত্বকে জ্বালা, চুলকানি, ফুসকুড়ি হলে সে সমস্যাযর সমাধানেও দারুণ কার্যকরী টক দই।

● দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের রং হালকা করে। তাই যাদের পিগমেন্টেশনের সমস্যা রয়েছে, তারা ত্বকে টক দই অবশ্যই লাগান।

● প্রচণ্ড রোদে ত্বকে বেশ কড়া রকমের ট্যান পড়ে যায়। সান ট্যান বা সানবার্নের কারণে ত্বকে দাগছোপ তুলতেও দইয়ের ভূমিকা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।