প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখবেন না, রাস্তার টয়লেট ব্যবহার করতে হলে কী কী মাথায় রাখবেন

গুড হেলথ ডেস্ক

পুজোয় সারাটা দিনই প্রায় বাইরে কাটবে। ঠাকুর দেখা, খাওয়াদাওয়া চলবেই। কখনও গাড়িতে আবার কখনও পায়ে হেঁটেই ঠাকুর দেখা হবে। তাই এই সময় প্রকৃতির ডাক এলে রাস্তার টয়লেট ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই। সারাদিন যদি ঘোরার প্ল্যান থাকে তাহলে টয়লেট চেপে রাখা ক্ষতিকর। এতে ব্লাডারে চাপ পড়বে, সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। মহিলাদের তো বিশেষ করে টয়লেট চেপে রাখলে নানারকম রোগ হতে পারে। পরবর্তী সময়ে প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখাও মুশকিল হয়ে যাবে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাস্তার টয়লেট ব্যবহার করুন তবে নিজের সুরক্ষার দিকটাও খেয়াল রাখুন।

এখন রাস্তাঘাটে অজস্র সুলভ শৌচালয় রয়েছে। দেখেশুনেই ঢুকুন। পরিষ্কার শৌচালয় হলেও জানবেন আপনার আগে বহুবার সেটি ব্যবহার হয়েছে। নানা রকম লোক এই একই শৌচালয় ব্যবহার করে থাকেন। ফলে জীবাণু সংক্রমণ থেকে শুরু করে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। সেই ভয়ে যদি প্রস্রাব চেপে রাখেন, তাহলেও মারাত্মক ক্ষতি। তাই পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করুন, তবে মেনে চলুন কয়েকটি সতর্কতা।

সংক্রমণ এড়াতে কী কী করবেন?

১) এখন বেশিরভাগ শৌচালয়েই কমোড রয়েছে, তাই মেঝে কম নোংরা নয়। আগেই ফ্লাশ করে নিন। কোনও সময় ফ্লাশ না করে কমোড ব্যবহার করবেন না।

২) টয়লেটের সিট ব্যবহারের আগে ভাল করে স্যানিটাইজার স্প্রে করে নিন। সব সময় ব্যাগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখবেন। টয়লেটের সিট ও তার চারপাশটা একবার স্প্রে করে নিন।

৩) টয়লেট সারার পরে ফ্লাশ করে হাতে একটু স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন। প্রয়োজনে তরল সাবান ব্যবহার করুন।

৪) যদি দেশেন টয়লেটে টিস্যু রয়েছে তাহলে হাতে টিস্যু ধরেই ফ্লাশ ব্য়বহার করবেন। এতে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। কারণ আপনার আগে যাঁরা ফ্লাশে হাত দিয়েছেন তাঁরা কতটা স্বাস্থ্য সচেতন তা আপনার জানা নেই।

৫) ব্যাগে টিস্যু পেপার রাখা মাস্ট। কমোড শাওয়ার, কমোডের ফ্লাশ হাকে টিস্যু ধরেই ব্যবহার করুন।

৬) শৌচালয়ের দরজার হাতল বা কলে হাত দিতে গেলেও টিস্যুপেপার ধরেই হাত দিন।

৭) করোনার পরে সংক্রমণের আতঙ্ক অনেক বেড়েছে। প্রয়োজনে ব্যাগে ছোট লিকুইড সাবান রেখে দেবেন। কারণ অনেক শৌচালয়েই সাবান থাকে না।