Ketogenic Diet: কিটো ডায়েটে দ্রুত ঝরবে মেদ, শুধু নিয়ম মেনে চলতে হবে

লকডাউনে ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম করে পেট-কোমরের পরিধি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে (Ketogenic Diet)। তলপেটে থলথল করছে চর্বি। কেবল পেটই নয়, মেদ জমেছে উরুতেও। এখন উপায়? জিম-যোগাসনের সময় নেই। অফিস-বাড়ি সামলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওয়ার্কআউট করবেন, সে সময়ও নেই। কাজেই ডায়েটই এখন ভরসা। আর যে সে ডায়েট নয়, দ্রুত ওজন কমাতে কিটো ডায়েটই সবচেয়ে কার্যকরী হলেই দাবি করছেন ডায়েটিশিয়ানরা।

কমবয়সীদের মধ্যে এখন কিটো ডায়েট (Ketogenic Diet) বেশ জনপ্রিয়। তবে এই ডায়েট করার কিছু নিয়ম আছে। কার্বোহাইড্রেট কিটো ডায়েটে একেবারেই নৈব নৈব চ। মানে হল পুরোপুরি নো কার্বস ডায়েট। ভাত-রুটিকে বলতে হবে গুড বাই। মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। পরিবর্তে পরিমাণ মতো খেতে হবে প্রোটিন এবং বেশি করে ফ্যাট জাতীয় খাবার। মাস কয়েক এই নিয়ম মানলেই ঝরঝর করে কমবে ওজন। ছ’মাস নিয়ম মেনে এই ডায়েট করলে ১০ থেকে ২০ কেজি অবধি ওজন কমানো সম্ভব।

 

কিটো ডায়েট (Ketogenic Diet) কী?

কিটোজেনিক ডায়েট প্ল্যানে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না। শর্করার অভাবের কারণে মূলত ফ্যাট বার্ন করেই শরীরের এনার্জির ঘাটতি মিটবে। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া একে বারে বন্ধ করে দিলে শরীর যে বিশেষ মেটাবলিক পর্যায়ে চলে যায় তাকে বলে কিটোসিস। সেই থেকে এই ডায়েটের এমন নাম। সঠিক কিটো ডায়েটে কার্বোহাইড্রেট থাকবে মাত্র ৫ শতাংশ বা তারও কম, ২৫% প্রোটিন এবং ৭০% ফ্যাট জাতীয় খাবার রাখতে হবে ডায়েটে।

Keto Diet
কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন

ভাত-রুটি একদম চলবে না।

রোজকার ডায়েটে থাকবে সবুজ শাকসব্জি, চিকেন বা মাটন, মাছ অথবা ডিম খেতে পারেন। তবে সবই পরিমাণ মতো। শরীর বুঝে ডায়টিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে।

লিন মিট বেশি খেলে ভাল।

Ketosis

ওমলেট, স্ক্র্যাম্বেল্‌ড, পোচ— যে ভাবে ইচ্ছা ডিম খেতে পারেন। কুসুম বাদ দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। তবে ভাল করে সিদ্ধ করে ডিম খাওয়া সবচেয়ে বেশি উপকারি।

চিজ, মাখন, বাদাম খেতে পারেন কিটো ডায়েটে।

নানা রকম ফল, শসা, ব্রোকোলি, পালং শাক খুব উপকারি।

চা খেতে হবে চিনি ও দুধ ছাড়া। ব্ল্যাক কফি বা বুলেট কফি খেতে পারেন।

সব ধরনের ডাল বন্ধ রাখতে হবে কিটো ডায়েটে।

মাটির নীচে হয় এমন ধরনের সব্জি, যেমন আলু, মুলো, কচু, গাজর খাওয়া যাবে না।

দই রোজ খেতে পারে

নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের রান্না করলে সবচেয়ে বেশি উপকার হবে। তবে খাঁটি সরষের তেলও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল।

সব রকমের মিষ্টি, আইসক্রিম, চকোলেট, পেস্ট্রি বাদ দিতে হবে।

ময়দার কোনও রকম খাবার খাওয়া যাবে না। পাস্তা, নুডল, সিরিয়াল, বানরুটির মতো খাবার চলবে না।

প্রসেসড ফুডে কার্বোহাইড্রেট এবং চিনির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, এইসব খাওয়া যাবে না।

জাঙ্ক ফুড, ট্রান্স ফ্যাট আছে এমন খাবারকে বলতে হবে গুডবাই।