Male Infertility: পুরুষের যৌন ক্ষমতায় ‘ভিলেন’ এটিই, ছোট থেকেই সাবধান থাকা উচিত

গুড হেলথ ডেস্ক

যৌন অক্ষমতার (Male Infertility) কারণ অনেক থাকতে পারে। কিন্তু রোজকার জীবনযাত্রা ও জীবনযাপন পদ্ধতিতেই এই সর্বনাশের বীজ লুকিয়ে থাকে। একের পর এক ভুল, অসর্তকায় তা ডালপালা মেলতে শুরু করে।  একসময় গিয়ে বিপদ ঘনায়। তখন ডাক্তার-বদ্যি, সার্জারি, কাউন্সেলিং আর সেই সঙ্গেই একরাশ লজ্জা-সঙ্কোচ রোগীকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলে।

পুরুষ বন্ধ্যত্বের (Male Infertility) অন্যতম ভিলেন হিসেবে ওবেসিটি বা স্থূলত্বকেই কাঠগড়ায় তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম এবং অবৈজ্ঞানিক উপায়ে জীবনযাপনের কারণে দিন দিন পেটে জমা মেদই বাবা হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে গবেষকদের দাবি।

Obesity and Male Infertility

ওবেসিটি কমিয়ে দিতে পারে স্পার্ম কাউন্ট

ওবেসিটিতে আক্রান্ত পুরুষদের শুক্রাণুর (Male Infertility) সংখ্যা কমতে পারে, এমনটাই দাবি করা হয়েছে নানা গবেষণায়। স্পার্ম কাউন্টও কমে যায় এই ভুঁড়ি ও ওবেসিটি থেকেই। সেই সংখ্যা এতটাই কমের দিকে থাকে যে সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড়সড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

Diabetes-Heart Disease: ডায়াবেটিস আছে? রক্তে শর্করার মাত্রা কত থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে

 male infertility

২০১৬ সালে কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একটি সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। স্থূলত্বের সমস্যায় ভুগছেন এমন পুরুষদের নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হয়। তাতে দেখা গেছে স্থূলত্বের জিন বাবা হওয়ার পথে বাধা তৈরি করে তো বটেই, আবার সন্তানের শরীরেও সেই জিন প্রবেশ করতে পারে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, ওবেসিটি আক্রান্ত বাবার স্পার্মের সঙ্গে সন্তানের শরীরে প্রবেশ করে মোটা হওয়ার জিন। এমন বাবার সন্তানরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মোটা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বেশির ভাগই ওবেসিটিতে আক্রান্ত।

বর্তমানে ভারতে স্থূলতার শিকার প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ। গোটা বিশ্বে স্থূলতাই মৃত্যুর অন্যতম কারণ, এমনটাই দাবি গবেষকদের। অতিরিক্ত মেদ বা চর্বিজাতীয় পদার্থ জমা হলে শরীরে ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ে। শারীরিক নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরুষদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার সমস্যা বন্ধ্যত্ব ডেকে আনতে পারে।
ছোটবেলা থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়। বাচ্চাদের ট্রাঙ্কাল ওবেসিটি ভবিষ্যতে নানা সমস্যা তৈরি করতে পারে। ছোটবেলায় দেখা যায় হঠাৎ করে মেদ জমতে শুরু করেছে। বুক, পেট, কোমর চওড়া হচ্ছে। শরীরে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমছে। হাত-পায়ের তুলনায় পেট ফুলে যাচ্ছে। তখন সতর্ক হতে হবে। রক্তের পরীক্ষা করাতে হবে। ট্রাঙ্কাল ওবেসিটিতে বেশি ভোগে বাচ্চারা। ভুঁড়ি বাড়তে থাকে। পেট ও তলপেটে মেদ বাড়ে। কোমর চওড়া এবং পেটে মেদ জমে ফুলতে শুরু করে। এই দশাকেই বল ট্রাঙ্কাল বা অ্যাবডমিনাল ওবেসিটি। সেন্ট্রাল ওবেসিটিও বলেন অনেকে। এটাই ভবিষ্যতে বন্ধ্যত্বের অন্য়তম কারণ হয়ে ওঠে।