পুজোয় রোজ বাইরে খাবেন? পেটের গোলমাল হলে ওষুধ নয়, ঘরোয়া উপায়ে সারান

গুড হেলথ ডেস্ক

বাঙালি পুজোয় পেটপুজো করবে না সেটা কি হতে পারে! পুজোর প্রায় সবকটা দিনই বেশিরভাগ বাড়িতেই হেঁশেলে ছুটি। এই কদিন কব্জি ডুবিয়ে ভুরিভোজ চলবে। ষষ্ঠীতে যদি চাইনিজ নয়, তাহলে সপ্তমীতে বিরিয়ানি, অষ্টমী চোখ-নাক বুজে নিরামিষ খেয়ে নিয়ে নবমীতে আবার মাটন, চিংড়ি বা কন্টিনেন্টাল। তাছাড়া প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় রোল-চাউমিন-ফিশ ফ্রাই স্ট্রিট ফুড তো রয়েছেই। পুজোয় গপাগপ ফুচকা না খেলে আবার বাঙালির ঠিক মন ভরে না (diarrhea)। আর আইসক্রিম-কেক-পেস্ট্রির কথা না হয় বাদই দিলাম। সেই সঙ্গে দেদাড় মিষ্টি খাওয়াও চলবে।

পুজোর কটাদিন জমিয়ে খেয়ে তারপর পেটের গোলমাল অবধারিত। পুজোয় বাইরে খাওয়া আর পেট খারাপ যেন একে অপরের সমার্থক (diarrhea)। প্রতিবারই তাই বেশিরভাগ বাড়িতেই পেট খারাপের ওষুধপত্র আগে থেকেই গুছিয়ে রাখা হয়। সে যাই হোক, পুজোয় ভালমন্দ খান ক্ষতি নেই, তবে পেটের গোলমাল এড়াতে গাদা গাদা ওষুধ খেয়ে ফেলবেন না। অনেক সময়েই ওষুধ খেলে তার ডোজ আমরা শেষ করি না। ফলে পরবর্তী সময়ে সেই ওষুধে কাজ তো হয়ই না, সাইড এফেক্টসও হতে পারে। তাই ওষুধের বদলে ভরসা রাখুন ঘরোয়া উপায়ে।

 food

পেট ভাল রাখতে কী কী করবেন?

বাইরের জল না খাওয়াই ভাল। বাড়িতে যদি ওয়াটার পিউরিফায়ার না থাকে তা হলে জল ফুটিয়ে খেতে পারলে ভাল (diarrhea)।

যখনই খাবেন অবশ্যই ভাল করে হাত ধুয়ে খান।

যদি কোনও রেস্তোরাঁয় খেতে যান তা হলে শাক-পাতা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। ঠিক মতো ধোওয়া না হলে বর্ষাকালে শাকে জমে থাকা পোকা থেকে পেট খারাপ হতে পারে।

puja

কলাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড বলে (diarrhea)। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। কলা খেলে এনার্জিও পাবেন। তাতে পেটের খারাপের দুর্বলতা একটু কমবে।

অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার লুজ মোশন ঠেকাতে ভীষণ কার্যকরী। এটি একটা প্রাকৃতিক অ্যান্টি বায়োটিক যা ডায়েরিয়ার জীবাণু খুব সহজেই মেরে ফেলে। ১-২ চামচ আনফিল্টারড অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার হালকা গরম জলে মিশিয়ে অল্প অল্প করে সারাদিন খান, যতক্ষণ না পেট খারাপ ঠিক হচ্ছে।

আদা শুধু কাশিতেই উপকার করে না (diarrhea)। পেট খারাপ সারাতেও আদার জুড়ি মেলা ভার।

পেটের গোলমাল যদি হয়ে যায় তাহলে ডাল জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলবেন। দই ভাত খেতে পারেন। পেট ঠান্ডা রাখে এবং হজমের গোলমাল মেটানোর জন্য দইয়ের প্রোবায়োটিক গুণ দারুণ উপকার দেয়।

মশলা দিয়ে নোনতা ওটস না খেয়ে এই সময় মিষ্টি ওটস খেলে উপকার পাবেন। দুধ দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন। দুধে সমস্যা হলে সোয়া মিল্ক বা বাদাম মিল্ক দিয়ে খেলে উপকার পাবেন।