Obesity: মোটা হচ্ছে কমবয়সীরা, স্থূলত্বের হার চিন্তা বাড়াচ্ছে

গুড হেলথ ডেস্ক

মোটা (Obesity) হয়ে যাচ্ছে কমবয়সী ছেলেমেয়েরা। ওবেসিটি বা স্থূলত্বের হার চিন্তা বাড়াচ্ছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে (এনএফএইচএস)-র রিপোর্ট বলছে, ২০১৫-১৬ সালের তুলনায় ২০২১ সালে স্থূলত্বের হার অনেকটাই বেড়েছে। গ্রামীণ এলাকাতেও বাচ্চাদের মধ্য়ে ওবেসিটির হার ৩০ শতাংশ বেশি। মহিলাদের মধ্য়ে প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে স্থূলত্বের হার। পুরুষদের মধ্যে ২১ শতাংশ বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই চিন্তা বেড়েছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

২০১৫-১৬ সালের চতুর্থ NFHS-র তুলনায় ২০১৯-২১ সালের পঞ্চম NFHS-র রিপোর্টে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু এবং ১৫-ঊর্ধ্ব মহিলা ও পুরুষের ওজন ও স্থূলত্ব দুটোই বেড়ে গিয়েছে। এবং এই বৃদ্ধির হার সব ক্ষেত্রেই শহরাঞ্চলে বেশি, গ্রামাঞ্চলে তুলনায় কম।

Obesity

যখন শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পরিমানে চর্বি জাতীয় পদার্থ জমা হয়, তখন শরীরের সেই বিশেষ অবস্থাকেই স্থূলতা বা ওবেসিটি বলে চিহ্নিত করা হয়। স্থূলতা আসলে পুষ্টির অভাব। প্রত্যেক মানুষের শরীরেই তাঁর ওজন ও উচ্চতা অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পুষ্টির প্রয়োজন হয়। শরীর যখন সেই পরিমাণ পুষ্টি না পায়, তখনই এই স্থূলতার সমস্যা দেখা যায়। স্থূলতা — চলতি ভাষায় মোটা হয়ে যাওয়া।

এই মোটা হয়ে যাওয়ার পিছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। ফাস্ট ফুড, ঠাণ্ডা পানীয় বা অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে, শারীরিক পরিশ্রম না করা কিংবা কোনও ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, মানসিক অশান্তি ইত্যাদি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে বংশ পরম্পরায় জিনগত কারণে বা হরমোন গ্রন্থির গণ্ডগোলের কারণে মানুষ মোটা হতে থাকে।

obesity

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচণ্ড খিদের মুখে হাই ক্যালোরি ভাজা বা প্রসেসড ফুডের আসক্তি বাড়ে৷ ভাজাভুজি না খেয়ে মন শক্ত করে ডায়েটে রাখুন পুষ্টিকর খাবার। খাবারের মোট ক্যালোরির ২৫ শতাংশ প্রোটিন থেকে এলে ভুলভাল খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। শাকসবজি, ফল, ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন রোজকার ডায়েটে।

দূষণ, মানসিক উদ্বেগ এবং খাবারে কালারিং এজেন্ট শরীরের ক্ষতি করছে। শুধু ব্যায়ামে ফল হবে না, যদি না ঠিকঠাক খাবার খাওয়া হয়। কৃত্রিম রং এবং প্রিজার্ভেটিভ দেওয়া খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। জাঙ্ক ফুড বন্ধ করতেই হবে। দিনে সাড়ে তিন থেকে চার লিটার জল খেতেই হবে প্রাপ্তবয়স্কদের। জল কম খেলেও ওজন বাড়ে।