Pickles: খাওয়ার পাতে একটু আচার ছাড়া চলে না? শরীরের জন্য ভাল না খারাপ

গুড হেলথ ডেস্ক

ভাতের পাতে এক চিমটি আচার (Pickles) ছাড়া খাওয়াটাই যেন জমে না। খিচুড়ি হোক বা রুটি হোক, আমিষ অথবা নিরামিষ, খাওয়ার সময় ঝাল ঝাল বা টকমিষ্টি আচার হলে গোটা ব্যাপারটাই কেমন মাখোমাখো হয়ে যায়। খাবারে যদি স্বাদ তেমন না থাকে, তাহলে আচার দিয়ে মেখেই সেটা সুস্বাদু হয়ে যায়। একটা সময় মা-ঠাকুমারা নিয়ম করে আচার বানিয়ে রোদে দিতেন। এখনও হয় না তা নয়, তবে বাচারচলতি আচারই বেশি খাওয়া হয়। একটু আচার না থাকলে মুখে খাওয়ার রোচে না অনেকেরই। এখন প্রশ্ন হল আচার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল না খারাপ।

pickles

কুলের আচার (Pickles), আমের আচার, লেবু-জলপাই-কামরাঙা-তেঁতুল থেকে হরেক সব্জি-ফলের আচার হয়। মাছ বা মাংসের আচারও হয়। তেল বা ভিনিগার দিয়ে মাখিয়ে নানারকম মশলা যোগ করে আচার বানানো হয়। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, আচারের ভাল গুণও যেমন আছে, তেমনই কোন আচার খাচ্ছেন, বাড়িতে বানানো নাকি বাইরে থেকে কেনা, কেমন মশলা বা তেল দেওয়া হচ্ছে তার ওপরেও নির্ভর করবে সেটা খেলে ক্ষতি হবে কিনা।

pickles

আগে দেখে নেওয়া যাক আচারের (Pickles) গুণ কী কী। ফল বা সব্জির আচার তৈরির সময় তেল বা ভিনিগারের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ল্যাকটিক অ্য়াসিড, সাইট্রিক ও অ্যাসেটিক অ্যাসিড তৈরি করে। এই তিনটে অ্যাসিডই শরীরের পক্ষে ভাল। এরা শরীরের উপকারি মাইক্রোবসদের সক্রিয় করে তোলে। এই মাইক্রোবস অন্ত্রে থাকে, খাবারের বিপাকে সাহায্য করে। আচার খেলে হজমশক্তি বাড়ে, কিছু ক্ষেত্রে কোলেস্টেরলও বশে থাকে।

pickles

নুন, হলুদ, বাড়িতে বানানো ভাজা মশলায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস থাকে। আচার খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।

কিন্তু যদি বাজার থেকে আচার কিনে আনা হয় তাহলেই মুশকিল। কী আচার খাচ্ছেন, কোন ব্র্যান্ডের সেটা আগে দেখে নিতে হবে। বাজার থেকে কেনা আচারে অতি মাত্রায় নুন, তেল ও রাসায়নিক প্রিজারভেটিভ থাকে যা মোটেও ভাল নয়।  আচারে এত বেশি নুন আর চিনি থাকে যে, বেশি খেলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে।