Vegan Milk: গরুর দুধে অ্যালার্জি? বিকল্প পথে পুষ্টির হদিশ দিলেন ডায়েটিশিয়ানরা

গুড হেলথ ডেস্ক

এক গ্লাস দুধ মানেই তা ভিটামিন, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, মিনারেলস সমৃদ্ধ। সুষম খাবার বলতে ডায়েটিশিয়ানরা প্রথমেই দুধের কথা বলেন। পুষ্টি উপাদানের বেশিটাই পুষিয়ে যায় এতে। তবে গবাদি পশুর দুধ হজম হয় না অনেকের। গরুর দুধ ও দুধজাতীয় খাবার খেলেই অ্যালার্জি হয় (Vegan Milk)। তাই সেক্ষেত্রে বিকল্প উপায় কী? গরুর দুধ নয়, বরং ভেগান মিল্ক থেকেই মিলবে পুষ্টি।

Vegan Milk

এখন প্রশ্ন হল, ভেগান মিল্ক (Vegan Milk) কী? 

খামারে প্রতিপালিত গবাদি পশুর দুধ নয়। বরং উদ্ভিজ্জ উপাদান থেকে য়ে নির্যাস আসছে তাকেই ভেগান মিল্ক বলে। এর মধ্যে অনেক কিছু পড়ে, যেমন–নারকেলের দুধ, সয়া মিল্ক, ওটস মিল্ক, কাঠাবাদামের দুধ, কাজুবাদামের দুধ ইত্যাদি। ডায়েটিশিয়ানরা বলছেন, গরুর দুধ খেলে যতটা পুষ্টি আসে, ভেগান মিল্ক থেকেও ততটাই পুষ্টি আসে। ভিটামিন, প্রোটিন, খনিজ উপাদান, ক্য়ালসিয়ামের অনেকটাই ঘাটতি মিটিয়ে দিতে পারে ভেগান মিল্ক। তাছাড়া এই দুধে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়াও হয় না।

গরুর দুধ খেলেই অ্য়াসিডিটি? ভেগান মিল্কই উপকারি

গরুর দুধ বা দুধজাতীয় খাবার খেলে হজম হয় না অনেকেরই। দুধ খেলেই অ্যাসিডিটি, পেটে ব্য়থা, গ্যাস-অম্বল, এমনকি মিল্ক প্রোডাক্ট থেকে অ্যালার্জিও হয় অনেকের। ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থেকেই এটা হয়ে থাকে। ডায়েটিশিয়ানরা বলছেন, গরুর দুধ খেতে পারছেন না যাঁরা, তাঁরা ভেগান মিল্ক খান।

Vegan Milk

শিশুদের ক্ষেত্রেও এটা জরুরি। ব্রেস্ট মিল্ক হজম হয় না অনেক শিশুরই। এদিকে দুধ না পেলে শিশুর পুষ্টি ও বাড়বৃদ্ধি হবে না। সেখানেও ভেগান মিল্ক বিকল্প উপায় হতে পারে। আমন্ড মিল্ক, সয়া মিল্ক বা ওটস মিল্ক থেকেই ভরপুর পুষ্টি পেতে পারে শিশু।

Zika Virus: আতঙ্কের নাম জিকা, আঘাত করে মস্তিষ্কে, ভাইরাল জ্বরের সঙ্গে গোলাবেন না

 

ভেগান মিল্কে কী কী খেতে পারেন?

পশুর দুধ ও দুগ্ধজাত উপাদানে সমস্যা হলে আমন্ড মিল্ক, সয় মিল্ক বা নারকেলের দুধ খাওয়া যেতে পারে।

সমমানের পুষ্টি অন্য কোনও খাবার থেকে মেলে না। তবু পাতে মাছ-মাংস-ডিম, সয়াবিন ও মুসুর ডালের পরিমাণ বাড়িয়ে কিছুটা ঘাটতি লাঘব করা যায়। আর পুষ্টি মেলে ঊেগান মিল্ক থেকে।

নারকেলের দুধ, সয়া মিল্ক, ওটস মিল্ক, আমন্ড মিল্ক,  কাজুবাদামের দুধে ভরপুর ভিটামিন, প্রোটিন, মিনারেলস, ক্যালসিয়াম আছে।

Plant Milk

ওটসের দুধে ১.৩ গ্রাম বিটা গ্লুকোন থাকে। উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কমাতে প্রতি দিন অন্তত ৩ গ্রাম করে বিটা গ্লুকোন খাওয়া প্রয়োজন। ওটসের দুধ থেকে সে চাহিদা মিটতে পারে।

সয়া দুধে স্যাচুরেটেড ফ্যাট খুব কম থাকে। কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে সয়া দুধ রোজকার ডায়েট চার্টে রাখতে পারেন। হার্টের সমস্যা, কিডনির সমস্যাতেও সয়া মিল্ক খেতে বলেন ডাক্তাররা।

আমন্ড ও কাজুবাদামের দুধেও রয়েছে ভরপুর পুষ্টি উপাদান। আমন্ড মিল্কে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্য়ালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পটাসিয়াম। কাজুবাদামের দুধেও আছে পরিমাণমত প্রোটিন, ফাইবার, কপার, কার্ব ও ফ্যাট। শরীরের পুষ্টি উপাদানের চাহিদা মেটাতে কাজুবাজামের দুধও উপকারি।