Weather Change Diseases: জ্বালাপোড়া গরমের পরেই বৃষ্টি, ঠান্ডা-গরমে ঘুষঘুষে জ্বর-সর্দি, কী করবেন

গুড হেলথ ডেস্ক

জ্বালাপোড়া গরমে প্রাণ অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছিল (Weather Change Diseases)। তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি হয়েছিল। তীব্র গরমে নাভিশ্বাস ওঠার পরে স্বস্তির বৃষ্টি হচ্ছে। তাপমাত্রাও আচমকাই কমে গেছে। আবহাওয়ার এই ভোলবদলে ঠান্ডা-গরম লেগে সর্দি-জ্বর হচ্ছে অনেকের। বিশেষত বাচ্চাদের ঘুষঘুষে জ্বর, খুকখুকে কাশি ভোগাচ্ছে। এমন সময় একটু সাবধান থাকতেই হবে।

এখন ভোররাতে বেশ শীত শীত ভাব, তাপমাত্রা বেশ মনোরম। আবার দুপুরে চড়া রোদের আঁচ গায়ে লাগলে ঘেমেনেয়ে অস্থির। কোনও ভ্যাপসা গরম আবার পরক্ষণেই ঝড়-বৃষ্টিতে ঠান্ডাভাব। দিন-রাতের তাপমাত্রার এই ওঠানামার ফলে কিছু কিছু ভাইরাস আর ব্যাকটেরিয়াদের পোয়া বারো (Weather Change Diseases)।

weather change diseases

ঋতু পরিবর্তনের ফলে জ্বরের এই প্রকোপ নতুন কিছু নয়। প্রত্যেক বছরই আবহাওয়া বদলে যাওয়ার সময় একই ঘটনার পুনরাবৃতি হয়। তাপমাত্রার আচমকা বদলের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভোগেন অনেকে। ইনফ্লুয়েঞ্জাও হতে দেখা যায়। এই সময় শুধু প্রয়োজন কিছু জরুরি সতর্কতা মেনে চলা।

কী কী মাথায় রাখবেন

ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে নিজেকে ঠান্ডা লাগা থেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে আবহাওয়ার এই বদল মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। সাধারণ সর্দি, কাশি, জ্বরের পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও ভোগাতে পারে।

ভাইরাসের কারণে জ্বর হলে সাধারণত সাত দিনের মধ্যেই ভাল হয়ে যায়। তবে জ্বরের সঙ্গে শুরু হয় সর্দি-কাশি আর গলাব্যথাও থাকতে পারে (Weather Change Diseases)।

Colds

অ্যালার্জিজনিত হাঁচি-কাশি-সর্দি ও অ্যাজমার প্রকোপ খুব বাড়ছে।  যাঁদের অ্যালার্জি আছে তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহারে করবেন। অ্যান্টি অ্যালার্জিক নাগাড়ে না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খান। কী ধরনের ইনহেলার ব্যবহার করলে উপকার মিলবে তা জেনে নিন।

তাপমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জামাকাপড় পড়তে হবে। যাঁদের অ্যালার্জির ধাত তাঁদের ধুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। যারা সিগারেট বা তামাকের নেশা বন্ধ করতে হবে।

Organ transplantation: শুয়োরের হার্ট সহ্য হয়নি? কীসে মারা গেলেন পশুর অঙ্গে প্রাণ ফিরে পাওয়া সেই ব্যক্তি

Home remedies

এই সময় বেশি এসি চালাবেন না। বৃষ্টিতে ভিজলে সেই জামা খুলে গা মুছে পোশাক বদলে নিন। এখনই রাতে মাথার দিকে জানলা খুলে ঘুমোবেন না। গায়ে চাদর রাখতে হবে। কারণ, রাত যত বাড়বে ততই তাপমাত্রা কমবে।

বেশি ভোরে বা বেশি রাতের দিকে স্নান না করাই ভাল।

ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে উষ্ম গরম জলে স্নান করুন।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলে ঠান্ডা লাগা এবং সর্দি-কাশির থেকে রেহাই মিলবে। হলুদে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা অনেক রকমের স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার চিকিৎসায় সাহায্য করে।

সাধারণ সর্দি এবং কাশির জন্য আরেকটি কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার হল লেবু, দারচিনি এবং মধুর মিশ্রণ। এই সিরাপ নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।

এই সময় পেটের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ডায়রিয়া তো হয়ই, তাছাড়া রাস্তার ধারে শরবত, লস্যি, কাটা ফল খেলে টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড, জলবাহিত হেপাটাইটিসের কারণে জন্ডিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সতর্ক থাকুন।