অফিসে এসিতে বেশিক্ষণ থাকলেই নাক বন্ধ, হাঁচি? ঠান্ডায় অ্যালার্জি কমবে ঘরোয়া উপায়ে

গুড হেলথ ডেস্ক

শীত আসছে। হিমেল হাওয়া জানান দিচ্ছে লেপ-কম্বল মুড়ি দেওয়ার দিন এসে গেল। ভোরের দিকে আর রাতের বেলায় বাতাসে বেশ ভালরকম শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে তাপমাত্রার ওঠানামার কারণেই নানা অসুখ জাঁকিয়ে বসে। বিশেষ করে যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে (Sneezing) বা অ্যালার্জির সমস্যা আছে, এই সময়টা তাঁদের খুবই সতর্ক থাকতে হবে। এদিকে অফিসে এসি চলছে বা বাড়িতে খুব জোরে পাখা চলছে, আপনাকেও এর মধ্যেই থাকতে হচ্ছে, যার ফলে নাক বন্ধ, হাঁচি-সর্দি লেগেই আছে।

বারে বারে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা হাঁচি (Sneezing) শুরু হলেই আমরা মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে ফেলি। যদি আচমকা নাক বন্ধ হয়ে যায় কিংবা গলা ব্যথা, গলা খুশখুশ অথবা হাল্কা কাশির সমস্যা দেখা যায় তাহলে ওষুধের থেকেও বেশি কাজে দেয় ঘরোয়া টোটকা।

How to stop sneezing

 নাক বন্ধ-হাঁচি থেকে চটজলদি আরাম পাবেন কী করে?

স্টিম বা ভেপার নিন। গরম জলের থেকে যে স্টিম বা বাষ্প ওঠে সেটা যদি নাক দিয়ে টেনে নিতে পারেন তাহলে উপকার পাবেন। অনেকে এই গরম জলে বিভিন্ন ওষুধ ফেলেও তারপর স্টিম নেন। দিনে দু’ থেকে তিনবার এই স্টিম বা ভেপার নিতে পারলে উপকার হবে।

নাক দিয়ে জল টানলে সবচেয়ে বেশি উপকার মেলে (Sneezing)। নাকের এক ছিদ্র বন্ধ করে অন্যটি দিয়ে জল টানতে হয়। তার পরে সেই জল মুখ দিয়ে ফেলে দিতে হয়।

ব্রেন স্ট্রোকের পরের চার ঘণ্টা কেন গুরুত্বপূর্ণ? কী করা উচিত

All Allergies

শরীর আর্দ্র বা হাইড্রেটেড রাখা প্রয়োজন। তাই সঠিক পরিমাণে জল খাওয়া জরুরি। প্রয়োজনে হাল্কা গরম জল খেতে পারেন।

কাশি বা গলা ব্যথা হলে মুখে রাখুন লবঙ্গ। আদা দিয়ে চা বানিয়ে খেতে পারেন, খুশখুশে কাশিতে অনেক আরাম পাবেন।

ঘন ঘন নাকে স্প্রে নেওয়ার অভ্যাস ছাড়ুন। নাকের স্প্রে-তে সাধারণত কোনও কড়া ডোজের ওষুধ থাকে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নুন মেশানো জল থাকে। আর এই জল যাতে নষ্ট না হয়ে যায় তাই তাকে সংরক্ষণ করার জন্য় কিছু রাসায়নিক থাকে। এই ধরনের ড্রপ বা স্প্রের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত হয় না, তবে একটানা নিতে থাকলে তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। তখন স্প্রে না নিলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর নাক বন্ধ হয়ে যায়।

home remedies to tackle sneezing

গরম জলে স্নান করুন। ভেজা চুল ভাল করে শুকিয়ে তবে এসি ঘরে ঢুকবেন। প্রয়োজনে ড্রায়ার চালিয়ে চুল শুকিয়ে নিতে হবে। নাহলে আরও ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

ইউক্যালিপ্টাস তেলের গন্ধ নাকে গেলে হাঁচি থেমে যেতে পারে। হাঁচি হওয়ার প্রবণতা থাকলে রুমালে ২-৩ ফোঁটা ইউক্যালিপ্টাস তেল দিয়ে দিন। তা কিছু ক্ষণ নাকের সামনে ধরে রাখুন। হাঁচি থেমে যাবে।

হাঁচি থামানোর ক্ষেত্রে খুবই কাজে লাগে মধু। প্রচণ্ড হাঁচির মধ্যেও এক চামচ মধু গলায় গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা থেমে যাবে।

এক কাপ গরম জলে দুই টেবিল চামচ ভিনিগার ও এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খেলে মিউকাস পরিষ্কার হবে। দিনে দুই থেকে তিন বার খান। সর্দি সম্পূর্ণ কমে যাবে।