Kidney Stones: প্রায়ই তলপেটে ব্যথা? কিডনিতে পাথর জমছে না তো?

এখনও পর্যন্ত যতগুলো কিডনির অসুখ আমরা দেখেছি, তার মধ্যে সবচেয়ে কমন কিডনির স্টোনের (Kidney Stones) সমস্যা। আমাদের রেচন অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনিতে ক্যালসিয়াম জমে তৈরি হয় কিডনির স্টোন। এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বের ১-৫% মানুষ কিডনি স্টোনের শিকার। সংখ্যাটা উন্নত দেশে ২-৩% এবং উন্নয়নশীল দেশে ০.৫-১%। সমীক্ষা বলছে, মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের কিডনি স্টোনের ঝুঁকি ২-৩ গুণ বেশি। অন্য দিকে বয়স্ক ও শিশুদের তুলনায় মধ্যবয়সীদের এ রোগ বেশি হয়। তবে কিডনি স্টোন ছোট হলে অনেক সময় তা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু বড় স্টোন অপসারণ করতে অপারেশন করার দরকার পড়ে।

কিডনির স্টোনের (Kidney Stones) বেড়ে যাওয়া কিন্তু রুখে দেওয়া যায়

বেশি বেশি জল খান
পর্যাপ্ত তরল কিডনি স্টোন রুখে দিতে পারে। যতটা জল আমাদের প্রয়োজন, সেটুকু জল যাতে শরীর পায়, সে বিষয়ে নজরদারি বাড়ান।

Kidney Stones

প্রতিদিন এক চামচ লেবুর রস খান
প্রতিদিন অল্প করে লেবুর রস মূত্রের সাইট্রেটের মাত্রা বাড়িয়ে ক্যালসিয়াম স্টোন তৈরির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। তাই রোজের ডায়েটে এক চামচ লেবুর রস রাখুন। গরম জলে মিশিয়ে খেতে পারেন। ভাল ফল পাবেন।

Vegan Milk: গরুর দুধে অ্যালার্জি? বিকল্প পথে পুষ্টির হদিশ দিলেন ডায়েটিশিয়ানরা

Kidney stones

কোল্ড ড্রিংক্স, মদ এড়িয়ে চলুন
নরম ঠান্ডা পানীয় মূত্রের সাইট্রেট মাত্রা সাঙ্ঘাতিকভাবে কমিয়ে দেয়। তাই এদের এড়িয়ে চলা ভাল। এ ছাড়া এ সব পানীয়তে থাকা ফসফোরিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। বিয়ার ও অন্যান্য মদেও কিন্তু কিডনির জন্য ক্ষতিকর পিউরিন থাকে। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।

Prevent Kidney Stonesকম নুন খান
বেশি নুন খেলে প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বাড়ে। তাই খাদ্যে নুন তথা সোডিয়ামের মাত্রা কমিয়ে প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

Dehydration and Kidney Stones

দুধ, মাংসে ইতি টানুন
কিডনির রোগীদের কাছে দুধ কিন্তু বিষের সমান। পাশাপাশি মাংসও ক্ষতিকর। প্রাণিজ প্রোটিন মূত্রে ইউরিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ও অক্সালেট মাত্রা বাড়ায় এবং সাইট্রেট মাত্রা কমায়। উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের তুলনায় প্রাণিজ প্রোটিনে বেশি সালফার থাকে, তাই এরা বেশি অ্যাসিড তৈরি করে। দুধে কিডনি পাথরের (Kidney Stones) পক্ষে অনুকূল উপাদান প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে। তাই কিডনি স্টোনের ঝুঁকি থাকলে প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়া ছাড়ুন।