স্ট্রেস থেকে হতে পারে ব্রেন টিউমার! মন ভাল রাখার ওষুধ মেডিটেশন

গুড হেলথ ডেস্ক

ব্রেন টিউমার (Brain Tumour) মানেই আতঙ্ক। মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে শুনলেই রোগীর ট্রমা শুরু হয়ে যায়। এমন ধারণাও রয়েছে যে ব্রেন টিউমার মানেই মৃত্যু। বাঁচার আর কোনও আশাই নেই। আধুনিক গবেষণা বলছে, ব্রেন টিউমার হওয়ার পেছনে অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে একটি হল স্ট্রেস। মস্তিষ্কের জটিল রোগের কারণ অনেকাংশেই স্ট্রেস (Stress), অ্যাংজাইটি, অবসাদ বা ডিপ্রেসন ইত্যাদি। মনের উপর চাপ যত বাড়বে, ততই তার রেশ পড়বে মস্তিষ্কে। ব্রেনের জটিল স্নায়ুর জালে তা জট পাকিয়ে বিপদের কারণ হয়ে উঠবে।

করোনা মহামারীর এই দু’বছরে মানসিক স্বাস্থ্যের (Mental Health) একদম দফারফা হয়ে গেছে। খালি মনে হয় মন ভাল নেই। সেই সঙ্গেই একরাশ স্ট্রেস, অবসাদ (Mental Detox)। একাকীত্বেও ভুগছেন অনেকে। ঘন ঘন মুড বদলে যাচ্ছে। বর্তমানে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষের ব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণে। স্ট্রেস (Stress), মানসিক চাপ নিত্যসঙ্গী। এগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারলে খুবই ভাল, কিন্তু স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টে যদি আপনি পারদর্শী না হন, তাহলে নিঃসন্দেহে মাথাচাড়া দিতে পারে অবসাদ (Mental Stress) । আর এসবই ভবিষ্যতে মস্তিষ্কের জটিল রোগের কারণ হয়ে উঠবে।

stress

মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্ট্রেস এবং উদ্বেগ হল মনের একটা জটিল অবস্থা, যেখানে স্বাভাবিক চিন্তা-ভাবনার পথটা বন্ধ হয়ে যায়। ভয়, ছটফটানি, চাঞ্চল্য, দুঃখ, ফোবিয়া সব মিলেমিশে এমন এক জটপাকানো অবস্থা তৈরি হয়, যে তার ছাপ পড়ে সারা শরীরেই। উদ্বেগ ক্রনিক হয়ে গেলে তখন আর মনের অবস্থা থাকে না, জটিল অসুখে পরিণত হয়। বিশেষজ্ঞরা, তখন তার নাম দেন অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার বা অ্যাংজাইটি অ্যাটাক। তবে অ্যাটাক যদি ঘন ঘন হতে থাকে তাহলে একসময় গিয়ে ক্রনিক ডিসঅর্ডারে পৌঁছে যায়।

হোমিওপ্যাথির কোন কোন ওষুধে ইউরিক অ্যাসিড কমতে পারে?

স্ট্রেসকে দূরে রাখতে পারলেই মন ভাল থাকবে। তার জন্য শরীর ও মনকে ডিটক্স করতে হবে। মাথা ধরা, তিরিক্ষে মেজাজ, প্রচণ্ড ক্লান্তি অথচ শুলেও আসছে না ঘুম। শরীরের এমন বেহাল দশার সমাধান করতে পারে ডিটক্সের (Mental Detox) নানা উপায়। আর মনের ডিটক্স হতে পারে মেডিটেশন।

 

কখন করবেন মেডিটেশন (Meditation )?

সকাল, সন্ধে বা রাত যে কোনও সময় আপনি মেডিটেশন করতে পারেন। যে সময় আপনার চারপাশের পরিবেশ শান্ত থাকে সেই সময়টা মেডিটেশনের জন্য বেছে নিন। কাজ সেরেই মেডিটেশনে বসুন। আর ধ্যানের সময় চিন্তাভাবনা সরিয়ে রাখুন।

Mental Health

মেডিটেশন কীভাবে করবেন?

সবচেয়ে আগে দরকার শান্ত পরিবেশ। হই হট্টগোলের মধ্যে মেডিটেশন হবে না। যেখানে মেডিটেশনে বসবেন সেখানে যেন হাওয়া চলাচল ঠিকভাবে হয়। বদ্ধ পরিবেশ না হলেই ভাল।

 

 Meditating Woman

চেষ্টা করুন হাল্কা খাবার খেয়ে মেডিটেশন করার। একগাদা খেয়ে হাঁসফাঁস করতে থাকলে আর যাই হোক, মেডিটেশন ঠিকমতো হবে না।